শিক্ষা

আপনি কারও বাধ্য?কেন?শান্তি রক্ষার্থে?নাকি সবার কাছে ভালো থাকার সুবিধা বেশি?

আপনি কারও বাধ্য?কেন?শান্তি রক্ষার্থে?নাকি সবার কাছে ভালো থাকার সুবিধা বেশি?

  পরিবারের যে যত বাধ্য হয় সে ততই সুনাম কুড়ায়।বাধ্য স্ত্রী,বাধ্য সন্তান,বাধ্য স্বামী ইত্যাদি। আবার পরিবারের বাইরে গিয়েও যার মধ্যে এ গুণটা বিদ্যমান, খুব সহজেই সফলতার সিঁড়ি বাইতে পারে। এই বাধ্যতা একটা সময় একটা বড় গুণ ছিল।যা মানুষ মন থেকে চর্চা করতো।যার কারণে তার ভেতর বাহির আলাদা বলে কিছু থাকতো না।এখন আপনি কারও বাধ্য এটা কেমন যেন স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপারের সাথে জড়িত।আমরা অনেক ক্ষেত্রেই ভয়ে,স্বার্থ আদায়ে,কৌশলতায় বাধ্যতার ভান করি।যা মানুষকে একটা সময় নিজের আসল চরিত্রকে ভুলিয়ে বা গুলিয়ে ফেলে। আপনার পারিপার্শ্বিকতা এখন এমন যে,আপনার মুখ ভার কেন,আপনি হাসলেন কেন?আপনার মন খারাপ কেন?আপনি এটা পারেন না কেন?আরও হেন তেন কত কি! মানুষ অপরের এসব চিন্তায় নিজেকে সত্যিকারভাবে উপস্থাপন করার সুযোগই পায় না।যেন তার জন্মটাই হয়েছে মানুষের মনোরণ্জ্ঞনের জন্য যা কখনো সুখী, কখনো দুঃখী ভান ধরার মতন হয়।আর এ
গণমাধ্যম-সাংবাদিক কারও প্রতিপক্ষ নয় —-খায়রুল আলম রফিক

গণমাধ্যম-সাংবাদিক কারও প্রতিপক্ষ নয় —-খায়রুল আলম রফিক

  সাংবাদিকতা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশার একটি। হত্যা ও নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, ভয় দেখানো, লাঠিপেটাসহ নানা ঝুঁকি আছে এই পেশার। কিন্তু ভয়ে গুটিয়ে না থেকে সাংবাদিকরা কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য বা সত্য তুলে ধরছে নির্ভয়ে। রাষ্ট্র, সরকার, প্রভাবশালী করপোরেট, হোয়াইট কলার ক্রিমিনাল, লুটেরা, সমাজবিরোধী রাজনীতিক, ব্যবসায়ীদের মুখোশে উন্মোচন করে যাচ্ছে। গণমাধ্যম কর্মীদের ঝুঁকিটা এখানেই। অন্যান্য পেশার মতোই সাংবাদিকতাও একটি পেশা মাত্র। গণমাধ্যম-সাংবাদিক কারও প্রতিপক্ষ নয়। বাংলাদেশে, সাধারণ মানুষ থেকে মহাপরাক্রমশালীদের বড় একটা অংশ সাংবাদিকতাকে ‘সাংঘাতিক’-‘অপ্রয়োজনীয়’ এবং বিপজ্জনক বিবেচনা করে। অনেকেই উপহাস করেন–অযাচিত জ্ঞান দেন। পারলে কীভাবে রিপোর্ট লেখা বা টিভিতে দেখানো উচিত সেটাও বলে দেন। চেপে ধরলে রসিকতা বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু তাদের জ্ঞানদান স্রেফ রসিকতা নয়। তাদের অভিযোগ-অনুযোগের সব দাবি যে মি
  ”বাল্যসখী” কবি: আরিফুজ্জামান

  ”বাল্যসখী” কবি: আরিফুজ্জামান

                ''বাল্যসখী'' কবি: আরিফুজ্জামান সখীলো মনে পরে কি সেই শৈশব কাহিনী। দিবস যামিনী ভাবায় মোরে পুরনো স্মৃতি। সখী তোমার সনেতে ওই আঁকাবাঁকা পথে। বিদ্যালয়ে যেতাম দু'জন প্রত্যহ --প্রভাতে। সখী --একটু মনেকর -ঐ -কলাপাতা ঘর। বাতাস এলে হেলে যেতো কাঁপিয়া থরথর। সখী পাচ্ছো কি শুনতে ওই গোয়াল ঘরেতে। তোমার আমার বিয়ে হইতো বিনা কাজীতে। রঙ -বেরঙের -খেলনা ছিলো মাটিরও পাত্র। এক্কাদোক্কা খেলতে 'যে -তুমি ধুলাইয়া গাত্র। কোথা গেলো সেই-দিন ছিলো কতযে রঙ্গিন। কালের স্রোতে ভাসিয়া গেলো হয়েছে মলিন। সখী হারাইলি কোথায় কথা- কি ছিলো তাই। তোমার হলো -স্বামী পুত্র- আমিতো একলাই। সখী আজো বলে মন -যদি আসিত সে-ক্ষণ। কলা-পাতা'রি -ঘর -দিতাম -করিয়া ---যতন। ১৯ আষাঢ় --১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষাছুটিতে সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে তোলপার

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাছুটিতে সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে তোলপার

সাইফুল ইসলাম তরফদারঃ ময়মনসিংহে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষাছুটিতে থাকাকালীন অবস্থায় সান্ধ্যকালীন কোর্সে এমবিএ ডিগ্রির কোর্স কার্যক্রম চালানো নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সাল থেকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের চারটি বিভাগের মধ্যে তিনটি বিভাগে এ শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে এই কোর্স বর্তমানে চালু রয়েছে । কিন্তু ব্যবস্থাপনা বিভাগে এই ডিগ্রি এখনো চালু হয়নি। এর কারণ এখানে রয়েছে শিক্ষকদের স্বার্থ। তাই এই বিভাগ এখনও চালু করতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে, শুরু থেকে সান্ধ্যকালীন কোর্সে শিক্ষা ছুটিতে থাকাকালীন অবস্থায় পুরাতন তিনটি বিভাগে শিক্ষকরা এই শিক্ষা পাঠদানে জড়িত ছিল। তবে এসব শিক্ষকগণ নিয়মিত কোর্স কারিকুলামে জড়িত থাকতে প
নিতাই চন্দ্র রায় জাতীয় কৃষি পুরস্কারে ভূষিত

নিতাই চন্দ্র রায় জাতীয় কৃষি পুরস্কারে ভূষিত

  ফা‌তেমা শবনমঃ বাংলাদেশের গণমানুষের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধ করণ ও প্রচারণামূলক কাজের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার নিতাই চন্দ্র রায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।   দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় এই কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার -১৪২৪’ এর ব্রোঞ্জ পদকে ভূষিত করা হয়।   গত রোববার ২৭ জুন, ২০২১ ওসমানী স্মৃতিমিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এই পুরস্কার প্রদান করেন। জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত থেকে করতালির মাধ্যমে পুরস্কার প্রাপ্তদের উৎসাহিত করেন।   উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে ক
”বর্ষার জল”

”বর্ষার জল”

''বর্ষার জল'' মালা-চিরান   এমনি এই দেশ ছয় ঋতুর বাংলাদেশ আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস পর পর ঋতু বদলে যায় মায়া মমতা ভরা রূপসী কন্যা। অরূপে তোমার রূপ দেখে দেখে হই যেন আমি দিশেহারা দেখিছি তোমার সৃজিতপ্রকৃতি কতই না মনোহর। এমন শ্যামল শোভায় ভরা বাংলা কোথাও পাবেনা কেউ। নীল আকাশের মেঘেরা ফেলে অপরূপ ছায়া,বর্ষার জলে পাহাড় সমান সাগরের ঢেউ বুকেতে সাহস আনে। দূর আকাশে তারাগুলো আলো ছড়ায় মিটিমিটি সাদা বরণ মনটা যেন ফুলে ফুলে ঢাকা। বর্ষার জল ছবি আঁকতে আমার ভীষণ ভালো লাগে নদীর দু'কূল মুখরিত মাঝি মাল্লার গানে সারি সারি পাল উড়ানো নৌকা চলে। মনের গহনে জাগে শুধু অতীতের স্মৃতি এই বর্ষা জলের মাঝে চির বিদায় নিয়েছিল আমার এক দিদি মা, ব্যথা ভরা হৃদয় তাইতো আজো বর্ষার জল এলেই যেন আষাঢ়-শ্রাবণে সাগরের স্রোত দু'চোখে।
ফুলবাড়িয়ায় জামিয়াতুল মোদার্রেছিনের আলোচনা সভা

ফুলবাড়িয়ায় জামিয়াতুল মোদার্রেছিনের আলোচনা সভা

সাইফুল ইসলাম তরফদারঃ  ফুলবাড়িয়া উপজেলা শাখা উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিন এর ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা,  কমিটি গঠন ও  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্প্রতিবার উপজেলার খাদেমুল ইসলাম ফাযিল মাদ্রাসার হলরুমে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় বিভিন্ন আলোচনার পাশাপাশি জামিয়াতুল মোদার্রেছিন'র উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামিয়াতুল মুদার্রেছিন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক  অধ্যক্ষ ড. মোঃ ইদ্রিস খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক  ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ  মোঃ মতিউর রহমান,
সিদ্দিকী নাজমুল আলমের সুস্থতা কামনায় ময়মনসিংহে দোয়া মাহফিল

সিদ্দিকী নাজমুল আলমের সুস্থতা কামনায় ময়মনসিংহে দোয়া মাহফিল

সাইফুল ইসলাম তরফদার: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের রোগমুক্তি কামনায় কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল করেছে ময়মনসিংহের সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। রবিবার (২০ জুন) বাদ আছর নগরীর ঐহিত্যবাহী সার্কিট হাউজ সংলগ্ন আল হেলাল এ্যাথলেটিকম ক্লাবে এ দোয়া মাহফিল করা হয়। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিবের আয়োজনে এ দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আহসান মো: আজাদ, জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদ জাহান চৌধুরী শাহীন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম ভুট্টু প্রমূখ। একই সময়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুর আয়োজনে আলোচিত এ ছাত্রলীগ নেতার সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল করে। একই ইস
ক্ষীরু নদী

ক্ষীরু নদী

*ক্ষীরু নদী*       কবিঃ আরিফুজ্জামান। তুমি ক্ষীরু নদী রূপের আকর এক মায়াবতী কান্তি. তোমারি বুকেতে স্নান সন্তরণে লাগে হে পরম শান্তি। তোমায় নিয়ে -সেই তোমারি সনে শৈশবেরি প্রিয় স্মৃতি. আজো মনেপড়ে প্রতি ক্ষণেক্ষণে তোমার দেওয়া প্রীতি। গ্রীষ্মের সেই ক্ষেপা রোদের তাপে গাত্র প্রজ্জ্বলিত যবে. ছুটিয়া গিয়েছি তোমারি বুকেতে শীতল হয়েছি তবে। তোমার গুণেরি শেষ নেই কভু হে মোর প্রিয় নদী. চাষা কৃষাণী আর জেলে জেলানি তব প্রেমে সবে বন্দী। উদরে তোমারি বসত করে যে অযুত রূপের মাছ. খলিশা মাছ আর পুঁটি মাছের হরেক রকম সাজ। বসন্ত কালেতে নদীর তীরেতে সজ্জীভূত হয় নীর. ঝরনা ফুলেরা সুবাস ছড়িয়ে করে মৌমাছিরা ভীড়।।  
শৈলসম কর্তৃক আয়োজিত প্রবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশিত

শৈলসম কর্তৃক আয়োজিত প্রবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশিত

শাহিনুর ইসলাম : আদিবাসী বিষয়ক প্রবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে প্রায় ৫০টির অধিক বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাদের সবার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, জীবন ব্যাবস্থা, খাদ্যাভাস ও ভাষা ভিন্ন এবং সুন্দর- স্বতন্ত্র ; অধিকাংশ মানুষই এই সম্পর্কে জানেন না। তাদের সুন্দর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আরও অনেক বিষয়কে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে “শৈলসম”  আয়োজন  করেছিল"প্রবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতা"। প্রবন্ধের বিষয়বস্তু ছিল - আদিবাসী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষা, নারী জীবন ও উৎসব। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন কলেজ,মেডিকেল কলেজ এবং  বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। লেখা আহ্বান শুরু হয়েছিল ৪ জানুয়ারি এবং লেখা গ্রহন করা হয়ছে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। বিচারক এবং পাঠকদের দেওয়া নাম্বারের ভিত্তিতে ১ম,২য় এবং ৩য় স্থান অধিকারী নির্ধারণ করা হয়ছে।১ম হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবরিনা মনসুর,যৌথভাবে ২য় হয়ছেন জাডিল মৃ এবং
error: Content is protected !!