
স্টাফ রির্পোটারঃ
ময়মনসিংহের সদর উপজেলা ঘাগড়া ইউনিয়নের বাড়েরাপাড় এলাকায় ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফ্রেবুয়ারী) এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার ব্যবসায়ী রবিন মিয়া থানায় অভিযোগ করেছেন। তাকে হামলা, মারধরের পাশাপাশি দোকানের মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে যাই সন্ত্রসীরা।
স্থানীয় ও থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,
দোকানের পাওনা টাকা চাইলে রাতুল মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসাযীকে বিভিন্ন হুমকি দিতে শুরু করে।
একপর্যায়ে রাতুলের নেতৃত্বে আলফাজ, কবির সজিবকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানের ভেতর প্রবেশ করে ব্যবসায়ীকে আঘাত করে দোকান ভাংচুর ও নগদ অর্থ লুটপাট করে নিয়ে যায়।
হামলার ফলে রবিনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয় এবং মাথায় আঘাতে অচেতন হয়ে যায়। আশপাশের লোকজন ও উপস্থিত কাস্টমাররা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার দোকানের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী রবিন বলেন,তারা পূর্ব শত্রু তার জারে আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধাম কি দিয়ে আসছিল কিছুদিন ধরে আমি একটি মনিহারি দোকান দেয়,দোকানে নিয়মিত বাকি নিতো রাতুল মিয়া একপর্যায়ে বাকির তালিকা দীর্ঘায়ীত হলে তার কাছে পাওনা টাকা চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয় আমার প্রতি পরের স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসা করে দিলেও রাতুল আরো ক্ষিপ্ত হয় আমার প্রতি একপর্যায়ে গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারি রাতে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে অতর্কিতভাবে আমার দোকানে হামলা চালাই ও আমাকে মেরে রক্তাক্ত করে আমার দোকানের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে আমি অভিযুক্ত রাতুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি নাজমুস সাকিব বলেন,অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
