
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের বাজেমুজরায় এলাকার প্রভাবশালী শাহজামাল ও লুৎফুর রহমান নামের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ক্ষমতা দেখিয়ে বসতবাড়ির জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজারহাট থানার সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ৫ আগস্ট পরবর্তি হত্যা মামলার আসামি পলাতক রিয়াজুল ইসলাম গত ২০২৪ সালের মে মাসে তারিখে দলবল নিয়ে জোরপূর্বক ওই এলাকার টুটুল সরকার ও জাফরুল ইসলামের বসতবাড়ির একাংশ দখল করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে মামলা করেন তারা। তবে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও দখল হওয়া জায়গা ফেরত না পেয়ে হতাশ অভিযোগকারীরা। এখনো অভিযুক্তরা পালিয়ে থেকে মোবাইলেই হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের দাবি, ২০০২ সালে নিজাম উদ্দিন ও হাসানের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করেন আনোয়ার হোসেন। এরপর সেই জমি ২০১১ সালে তিনি ২ ছেলে টুটুল সরকার ও জাফরুল ইসলামের নামে দেন। কিন্তু হঠাৎ করে ২০২৪ সালে পাশের জমির মালিক শাহজামাল ও লুৎফর রহমান আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে একটি অংশ দখল করে নেয়। এ সময় দখলে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালামসহ তার সহযোগীরা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বিদায় হলেও তার দোসররা এখনো বহাল তবিয়তে এই জায়গা দখল করে রেখেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী টুটুল সরকার বলেন, দখলকারীরা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে চেষ্টা করেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। পরে থানায় মামলা দেয়া হলেও তদন্ত কর্মকর্তা ঘুষ নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। জনশ্রুতি আছে, এই মামলাটি ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ বিপুল পরিমাণ টাকা ঘুষ নিয়েছে।
অভিযুক্তদের দাবি, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের চলাচলের রাস্তাটুকু জোরপূর্বক দখল করে।
বাদী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার নামীয় ২১ শতাংশ জমি বুঝিয়ে না দিয়ে রেলের খাস জমি সহ পরিমাপ করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে কুড়িগ্রাম জজকোর্টে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। যাহার মামলা নং-১৫/২৫ ও ৮১/২৫।
এবিষয়ে বিবাদী শাহজামালের পুএ রনিক বলেন স্থানীয় গণমানণ্য ব্যক্তিবর্গ জমির সীমানা সঠিক করে দিয়েছেন।এটা বাদী পক্ষ না মেনে আমাদের বিরুদ্ধে আবার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
