লাইফস্টাইল

  ”বাল্যসখী” কবি: আরিফুজ্জামান

  ”বাল্যসখী” কবি: আরিফুজ্জামান

                ''বাল্যসখী'' কবি: আরিফুজ্জামান সখীলো মনে পরে কি সেই শৈশব কাহিনী। দিবস যামিনী ভাবায় মোরে পুরনো স্মৃতি। সখী তোমার সনেতে ওই আঁকাবাঁকা পথে। বিদ্যালয়ে যেতাম দু'জন প্রত্যহ --প্রভাতে। সখী --একটু মনেকর -ঐ -কলাপাতা ঘর। বাতাস এলে হেলে যেতো কাঁপিয়া থরথর। সখী পাচ্ছো কি শুনতে ওই গোয়াল ঘরেতে। তোমার আমার বিয়ে হইতো বিনা কাজীতে। রঙ -বেরঙের -খেলনা ছিলো মাটিরও পাত্র। এক্কাদোক্কা খেলতে 'যে -তুমি ধুলাইয়া গাত্র। কোথা গেলো সেই-দিন ছিলো কতযে রঙ্গিন। কালের স্রোতে ভাসিয়া গেলো হয়েছে মলিন। সখী হারাইলি কোথায় কথা- কি ছিলো তাই। তোমার হলো -স্বামী পুত্র- আমিতো একলাই। সখী আজো বলে মন -যদি আসিত সে-ক্ষণ। কলা-পাতা'রি -ঘর -দিতাম -করিয়া ---যতন। ১৯ আষাঢ় --১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
কেমন কাটছে মফস্বল সাংবাদিকদের জীবন, কে দেখবে তাদের বোবা কান্না —খায়রুল আলম রফিক

কেমন কাটছে মফস্বল সাংবাদিকদের জীবন, কে দেখবে তাদের বোবা কান্না —খায়রুল আলম রফিক

সাংবাদিকতার সংকট কি শহর কি মফস্বল! সাংবাদিকতা পেশাটিই নানা সংকটে-ঝুঁকিতে আবর্তিত বাংলাদেশ তো বটেই সারা বিশ্বেই। এ সংকট কখনো কম কখনো প্রকট হয়ে দেখা দেয়। মফস্বলও সে সংকটের বাইরে নয়। সাধারণত অনেকের কাছে রাজধানী ঢাকার বাইরে যেসব এলাকা রয়েছে তার সবই মফস্বল বা গেঁয়ো বা গ্রাম্য। সারা দেশের মফস্বলে কর্মরত সাংবাদিকদের জীবন কেমন কাটছে? তাদের সংসারে খাবার আছে কি না? এ খবর কি কেউ নিচ্ছে? মফস্বল সাংবাদিকদের জীবন আজ গভীর খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা মান সম্মানের প্রশ্নে মুখ ফুটে কারও কাছে বলতেও পারছেন না আবার চলতেও পারছেন না। মফস্বল সাংবাদিকদের সংসার কিভাবে চলছে এ খবর কেউ নিচ্ছে কিনা ? এর উত্তরে কী বলবো? কে খবর নিবে? মিডিয়া মালিক না সরকার। প্রথমেই বলতে হয় যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই মিডিয়ার দায়িত্বই সবার চেয়ে বেশি। তারপরেও সরকারের ভুমিকাও কম নয়। মিডিয়া কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে কি বলবো? মিডিয়া সম

ক্ষীরু নদী

*ক্ষীরু নদী*       কবিঃ আরিফুজ্জামান। তুমি ক্ষীরু নদী রূপের আকর এক মায়াবতী কান্তি. তোমারি বুকেতে স্নান সন্তরণে লাগে হে পরম শান্তি। তোমায় নিয়ে -সেই তোমারি সনে শৈশবেরি প্রিয় স্মৃতি. আজো মনেপড়ে প্রতি ক্ষণেক্ষণে তোমার দেওয়া প্রীতি। গ্রীষ্মের সেই ক্ষেপা রোদের তাপে গাত্র প্রজ্জ্বলিত যবে. ছুটিয়া গিয়েছি তোমারি বুকেতে শীতল হয়েছি তবে। তোমার গুণেরি শেষ নেই কভু হে মোর প্রিয় নদী. চাষা কৃষাণী আর জেলে জেলানি তব প্রেমে সবে বন্দী। উদরে তোমারি বসত করে যে অযুত রূপের মাছ. খলিশা মাছ আর পুঁটি মাছের হরেক রকম সাজ। বসন্ত কালেতে নদীর তীরেতে সজ্জীভূত হয় নীর. ঝরনা ফুলেরা সুবাস ছড়িয়ে করে মৌমাছিরা ভীড়।।  

ময়মনসিংহে বিভাগীয় বন্ধু’র মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন কনিক

  নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন ও নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য বিভাগীয় মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২০ পেয়েছেন চ্যানেল24 এর ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান সুলতান মাহমুদ (কনিক)। সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে অনলাইন কনফারেন্সের মাধ্যমে অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা এবং স্বীকৃতির বিষয়ে গঠনমূলক সংবাদ পরিবেশনার জন্য ঢাকা ছাড়া দেশের সাতটি বিভাগ থেকে মোট ১৬জনকে বিভাগীয় মিডিয়া ফেলোশিপ ২০২০ প্রদার করা হয়। সেখানে ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে অ্যাওয়ার্ড পান চ্যানেল24 এর ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান সুলতান মাহমুদ কনিক। নানা বঞ্চনার শিকার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চ্যানেল24 এ প্রকাশিত হয়। ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহায়তায় ২০১৭ সাল থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে মিড

কোভিড-১৯ এর একটি নির্ভরযোগ্য ভ্যাকসিন ও আমাদের প্রত্যাশা =অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ।। 

 আরিফ রববানী,(ময়মনসিংহ) ।  কোভিড-১৯ মহামারীতে আজ সারা বিশ্ববাসী আক্রান্ত। কোভিড-১৯ এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকার কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিরোধেই সবাই গুরুত্বারোপ করছেন। গবেষকগণও প্রতিষেধক আবিষ্কারে বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছেন এবং বিশ্ববাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন একটি কার্যকরী ভ্যাকসিনের জন্য। ভ্যাকসিন তৈরি একটি জটিল পদ্ধতি। অনেক সময় ১০ থেকে ১৫ বছর সময়ও লাগতে পারে এবং এক্ষেত্রে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। ঊনপ্শ শতাব্দিতে স্মলপক্স, র্যাবিস, প্ল্যাগ, কলেরা, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন ভ্যাকসিন তৈরিতে সফলতা লাভ করেছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় প্রচেষ্টা করেও সফলতা পাওয়া যাচ্ছে না  যেমন এইডস। আধুনিক এই প্রযুক্তির জগতে বিজ্ঞানীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে স্বল্পসময়ে কিভাবে ভ্যাকসিন তৈরি করা যায় সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভ্যাকসিন কি, মানুষ

১৫ই আগষ্ট বাঙ্গালী জাতির জন্য এক কলঙ্কিত অধ্যায় অধ্যাপক ডা এম এ আজিজ।। 

— আগষ্ট মাস শোকের মাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বাঙ্গালী জাতির জন্য একটি নিকৃষ্টতম দিন, এক কলঙ্কিত অধ্যায়। পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের নজির আছে কিন্তু অন্তস্বত্তা নারী ও শিশুসহ স্বপরিবারে হত্যাকান্ডের নজির কোথাও নেই। এই হত্যাকান্ড বিভিন্নভাবেই আলোচিত। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ এর মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করা, আত্মস্বীকৃত খুনীদের পূনর্বাসিত করে পুরস্কৃত করা, অধ্যাদেশ বাতিলের পর বিচারকার্যে বিচারকদের বিব্রত হওয়া ইত্যাদি নানাভাবে আলোচিত এই হত্যাকান্ড। আগষ্ট মাস আসলেই ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর হয়ে উঠে। এখনও তারা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের তেড়ে বেড়ায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুপরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করা হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা সহ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ভয়াবহতম গ্রেণে

দুর্গাপুরবাসীকে ঈদুল আযহারের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওসি মিজান

  জাহাঙ্গীর আলম,নেত্রকোণাঃ যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে পালিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসবে দেশবাসীকে  ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব,ঈদ মানে সাম্য, ঈদ মানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া,ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে ওঠার চেষ্টা, বৃহতের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, ঈদুল আজহা'র এই আনন্দঘন মুহূর্তে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া তিনি যেন আমাদের সকল ইবাদাত, ত্যাগ, কোরবানি কবুল করে নেন, আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন এবং পশু কোরবানির মাধ্যমে অর্জিত প্রিয় ও মুল্যবান ঈমানী জজবা আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করার শিক্ষায় আমাদের জীবন পরিচালিত করেন ইনশাল্লাহ। শুভেচ্ছান্তে মোঃ মিজানুর রহমান অফিসার ইনচার্জ দুর্গাপুর থানা নেত্রকোণা  

কবি নজরুলের শিউলীমালা গ্রন্থের ‘অগ্নিগিরি গল্প’ এবং তার ত্রিশাল জীবনের বাস্তবতা

শামীম আজাদ আনোয়ার : কবি কাজী নজরুল ইসলামের উল্লেখযোগ্য গল্প গ্রন্থের মধ্যে শিউলীমালা অন্যতম। এ গ্রন্থের অগ্নিগিরি গল্পটি সরাসরি ত্রিশালের পটভূমির উপর রচিত। এ গল্পের স্থান, কাল, পাত্রপাত্রী, ভাষাসহ সবই ত্রিশাল কেন্দ্রিক। এ গল্পে ত্রিশাল, বীররামপুর গ্রাম, ত্রিশাল মাদ্রাসা, নুরজাহান, রুস্তম, ময়মনসিংহ হাসপাতাল, ত্রিশাল থানাসহ ত্রিশালের আঞ্চলিক ভাষার শব্দ ও স্থানের নাম উল্লেখ রয়েছে প্রায় পুরো গল্প জুড়েই। অগ্নিগিরি গল্পের নায়ক সবুর আখন্দ ত্রিশাল মাদ্রাসার ছাত্র। সবুর আখন্দ সম্পর্কে কবি নজরুল তার গল্পে লিখেছেন,এরই (আলি নসিব মিঞা) বাড়ীতে থেকে ত্রিশালের মাদ্রাসায় পড়ে সবুর আখন্দ। নামেও সবুর, কাজেও সবুর। শান্তশিষ্ট গো বেচারা মানুষটি। উনিশ-কুড়ির বেশী বয়স হবে না। গরীব- শরীফ ঘরের ছেলে দেখে আলি নসিব মিঞা তাকে বাড়ীতে রেখে তার পড়ার সমস্ত খরচ যোগান। ছেলেটি অতি মাত্রায় বিনয়াবনত। যাকে বলে- সা

মা দিবসের শুভেচ্ছা, এনামুল হক

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্ব ব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব মা দিবস । মা  শাশ্বত, চিরন্তন একটি আশ্রয়ের নাম । মা শব্দটি মনে করিয়ে অকিৃত্রিম ¯স্নেহ , মমতার গভীর ভালবাসা কথা । আজ বিশ্ব মা দিবস । সারা বিশেষ দিবসটি পালিত হচ্ছে মায়ের প্রতি সন্তানের অকৃত্রিম ভালবাসা আর গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে , তবে যে সকল মমতাময়ী মা তাদের চিরন্তন ভালবাসার তিল-তিলে তুলেছেন সন্তানের ভবিষৎ ,নিরাপদ করেছেন তাদের আগামী দূভার্গ্য ক্রমে কিছু অকৃতঘ্ন সন্তান মায়ের সেই ভালবাসার প্রতিদানে তাদের পাঠায় বৃদ্বাশ্রমে । যাদের প্রতিটি মূহর্তকাটি সন্তানের ফিরে আসার প্রতিক্ষায় । শুধু বিশেষ দিনে নয় ভাগ্য হতে সেই সকল মায়েদের প্রতি আমাদের শ্রদ্বা প্রতিটি দিনের ,প্রতিটি মূহুর্তের ইসলাম মায়ের পুরুত্ব অনেক । অন্ধকার যুগের যাদের ঘর আপনাদের চোখে দেখা হত । আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সম্মানের সুচনা হয় । ইসলাম না

রমজান মাস ধৈর্য্যের মাসঃ এনামুল হক

রহমত,বরকত ও মাগফিরাতের সু-সংবাদ নিয়ে আবার ফিরে এসেছে আমাদের জীবনে পবিত্র মাহে রমজান। সারা বিশ্ব আজ করোনায় আক্রান্ত।সরকারী নির্দেশনা হচ্ছে গণজামায়েত এড়িয়ে চলা,বিনা কারনে ঘরের বাহিরে ঘোরাঘুরি না করা।ঘরে থেকে নামাজ আদায় করা।সাদ্যমত দরিদ্রদের সাহায্য সহযোগিতা করা।সহ্য শক্তি বাড়িয়ে তোলা।আসুন আমরা সকলেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।করোনা আতঙ্কে বিশ^ সমাজ আজ টাল-মাটাল।রমজান মাস হচ্ছে আল্লাহর রহমতের মাস।প্রথম  ১০দিন হচ্ছে রহমতের,দ্বিতীয় ১০দিন হচ্ছে বরকতের,তৃতীয় ১০দিন হচ্ছে মাগফিরাতের।এ মাসের রোজা আল্লাহ আমাদের ওপর ফরজ করেছেন।শরিয়তের পরিভাষায় সূর্য উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজার নিয়তে যাবতীয় পানাহার এবং কামাচার থেকে বিরত থাকার নাম রোজা।রমজান মাস আসলে দোজখের দরজা বন্ধ হয়ে যায় আর বেহেস্তের দরজা খোলে দেওয়া হয়।শয়তাকে আল্লাহ শৃঙ্খলিত করে দেন।বেহেস্তের ৮টি দরজার মাঝে একটির নাম রাাইয়ান এই দরজা দিয়ে শুধু র
error: Content is protected !!