মির্জা ফখরুলের নিজ জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস মির্জা ফখরুলের নিজ জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস – SF TV
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
Headline
আগৈলঝাড়ায় মুসলিম পরিবারের বসতভিটায় মন্দিরের জমি ট্যাগ লাগিয়ে উচ্ছেদের পায়তারা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বাংলাদেশ আহলে হাদিস তাবলীগে ইসলামের ৩৪ তম কেন্দ্রীয় ইজতেমা শুরু ধোবাউড়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাশ দুইজন শিক্ষার্থী ধোবাউড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ভালুকায় শিশু ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন; মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার ভালুকায় পিটিয়ে শিক্ষককের হাত ভেঙে দিলেন মহিলা দলের নেত্রী ও ছেলে বরিশালে সবজিতে স্বস্তি,নাগালের বাইরে মাছ মুমূর্ষ রোগীর স্বজনরা রক্ত না পেয়ে দিশেহারা, নিজেই রক্ত দিলেন চিকিৎসক মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে গাড়িতে আগুন- বিক্ষোভ মিছিল শ্রমিকরা!

মির্জা ফখরুলের নিজ জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস

Reporter Name / ২৭৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসে মেতে ওঠেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা যায় উৎসবের আমেজ।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূল থেকে উঠে এসে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুলের নির্বাচিত হওয়াকে নিজেদের জন্য গর্বের বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষ।

তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রপতি

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক, পৌর চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী থেকে বিএনপির মহাসচিব দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়েছেন মির্জা আলমগীর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানেও ছিলেন সক্রিয়। পরে অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে ফেরেন। ১৯৮৮ সালে নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে, এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যোগ দেন বিএনপিতে। ১৯৯২ সালে দায়িত্ব পান ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির। ২০০১ সালের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।

দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতিতে এসে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে। দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন এবং নানা রাজনৈতিক সংকটে নেতৃত্ব দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category