বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা… বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা… – SF TV
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
আগৈলঝাড়ায় মুসলিম পরিবারের বসতভিটায় মন্দিরের জমি ট্যাগ লাগিয়ে উচ্ছেদের পায়তারা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বাংলাদেশ আহলে হাদিস তাবলীগে ইসলামের ৩৪ তম কেন্দ্রীয় ইজতেমা শুরু ধোবাউড়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাশ দুইজন শিক্ষার্থী ধোবাউড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ভালুকায় শিশু ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন; মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার ভালুকায় পিটিয়ে শিক্ষককের হাত ভেঙে দিলেন মহিলা দলের নেত্রী ও ছেলে বরিশালে সবজিতে স্বস্তি,নাগালের বাইরে মাছ মুমূর্ষ রোগীর স্বজনরা রক্ত না পেয়ে দিশেহারা, নিজেই রক্ত দিলেন চিকিৎসক মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে গাড়িতে আগুন- বিক্ষোভ মিছিল শ্রমিকরা!

বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা…

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

বংশগত কারণে হৃদরোগের সমস্যা অনেক মানুষকেই বয়ে বেড়াতে হয়। জেনেটিক কারণে একটি পরিবারের যখন হৃদরোগের ঝুঁকি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন নিরাপদ থাকার উপায় আছে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল সার্কুলেশনের এক গবেষণায় বলা হয়, মুষ্ঠিকে দৃঢ়করণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং উন্নত কার্ডিও ও রেসপাইরেটরি ফিটনেস মানুষকে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিস স্কুল অব মেডিসিন এর মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর এবং প্রধান গবেষক এরিক ইনগেলসন বলেন, এখানে আসল বিষয়টা হলো, শারীরিক শ্রম আসলে মানুষকে হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

গবেষণায় উপসংহার টানতে বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের বায়োব্যাংক ডেটাবেজ থেকে ৫ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এ গবেষণায় বেশ কিছু মানুষ অংশ নেন। এরা সবাই বংশগতভাবে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিসের ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেখা গেছে, কাজ বা ব্যায়াম করে যারা বজ্রমুষ্ঠির অধিকারী হয়েছেন তাদের করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ কম। পাশাপাশি অ্যাটরিয়াল ফিব্রিলেশনের ঝুঁকিও তাদের ৪৬ শতাংশ কমে আসে। অন্যদিকে, দুর্বলদের ঝুঁকি অনেকটা বেশি।

গবেষক বলেন, আসলে আমাদের গবেষণার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম বা কায়িকশ্রমের কথা বলা হচ্ছে না। তবে এর মাধ্যমে যে সংশ্লিষ্ট রোগ থেকে দূরে থাকা যায় তা নিশ্চিত বোঝা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category